হিংসা থেকেই দন্ধ
আশরাফ আলী:
সতীনের পুত্রবধু রোশনা বেগমের মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন এবং পুত্র শহীদ খান, শাহেল খান, সুমেল খানকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সম্মান হানি করার প্রতিবাদে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলার কুলাউড়া উপজেলার কলিমাবাদ গ্রামের মেহেরুন নেছা নামের এক ভোক্তভূগী।
মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, বড় ছেলে শহীদ খান, মেঝো ছেলে শাহেল খান, ছোট ছেলে সুমেল খান ও তার সতীনের বড় ছেলে মৃত সুজন খানের পুত্র মো. ফরহাদ খান।
লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, তার ছেলে শাহেল খান শারিরীকভাবে প্রতিবন্ধী। সে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পায়। তার ছেলেদের বিরোদ্ধে মিথ্যা হয়রানিমূলক ৭টি মামলা করা হলেও তাদেরকে আদালত বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি আরও বলেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলনকারী রোসনা বেগমের দেবর সুমন খান ভাটেরা রাবার বাগানের মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী। গত ২০১৮ সালের ৩ আগস্ট রোসনার দুই ছেলে রাজিব খান ও নাজিম খান স্থানীয় ফুলের তল বাজারে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ছেলে সুমেল খানকে হামলা করে। এ ঘটনায় তাদের বিরোদ্ধে মামলা রয়েছে (মামলা নং-২৭৬/২০১৮)।
তিনি আরও বলেন, রোসনা বেগমের জুলুম-নির্যাতনের কারণে তার বড় ভাসুর সুজন খান নিজ বাড়ী ছেড়ে স্ব-পরিবারে অন্যত্র চলে যান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ভোক্তভূগীর ছেলে শাহেল খান বলেন, তার একটি গাভী বিগত ২০১৮ সালে রোসনা বেগমের ছেলেরা মেরে ফেলে। পরে তারা গাভীর মূল্য ২০হাজার টাকা পরিশোধ করে। এরপর থেকে হিংসার বশবর্তী হয়ে এ ঘটনাগুলো ঘটাচ্ছে।
লিখিত অভিযোগে তিনি আরও বলেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলনকারী রোসনা বেগম, তার স্বামী কামাল খান, ছেলে নাজিম খান, রাজিব খান, রাখি খান, দেবর জুবেল খান, সুমন খান ও ছোট জাল সাজিয়া বেগম সহ মুখোশধারী কিছু ব্যক্তির কারণে তিনিও তার পরিবার আজ অসহায়।

No comments